romantic valobasar golpo
romantic valobasar golpo

romantic valobasar golpo। Bangla Romantic Golpo রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প । ভার্সিটির ক্যাম্পাসে দাঁড়িয়ে বন্ধুরা মিলে আড্ডা দিচ্ছিলাম।এমন সময় সামনে থেকে একটা মেয়ে আমাকে ইশারায় ডাক দিল।

ব্যাপারটা না বুঝেই এগিয়ে গেলাম।যাওয়ার সাথে সাথেই মেয়েটা একটা গোলাপ ফুল দিয়ে আমাকে প্রপোজ করল।মাথা কিছুক্ষণের জন্য কাজ করা বন্ধ করে দিল।

ফিরে এসে ঘটনাটা বন্ধুদের বলতেই ওরাও অবাক হয়ে গেল।কিন্তু ওরা বলল,তোর ইচ্ছাটা শেষ পর্যন্ত পূরণ হল।

তুই তো নিজে থেকে কখনো কোনো মেয়েকে প্রোপজ করিস না। রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প 

তোর ইচ্ছা ছিল কোনো romantic valobasar golpo একটা মেয়ে নিজে তোকে প্রপোজ করবে,ভালবাসার কথা আগে বলবে।আজকে ঠিক তেমনটাই হল।

খোজ নিয়ে জানতে পারলাম মেয়েটার নাম বর্ষা।অনার্স ১ম বর্ষে দর্শন বিভাগের ছাত্রী।এরপর বর্ষা আমার এফবি আইডিতেও মেসেজ দেয়া শুরু করল।

অনেকদিন যাবৎ এফবিতে টুকটাক লেখালেখি করি।বর্ষার সাথে চ্যাটিং করে বুঝতে পারলাম ও অনেক আগে থেকেই আমাকে এফবিতে ফলো করে।

romantic valobasar golpo

আমার প্রতিটা লেখাই নিয়মিত পড়ে।তখন ভাবলাম অন্য সব মেয়েদের মতোই সেও হয়তো একজন লেখকের লেখার প্রেমে পড়েছে।কিন্তু না,ওর আমার মতো একজন লেখকের লেখার প্রেমে পড়ার কথা না।

কারণ,আমি নিজে এফবিতে প্রেম,ভালবাসা,রিলেশন এসবে বিশ্বাসী না।তাই আমি নিজেও কখনো এফবিতে বর্তমান যুগের লুতুপুতু প্রেম নিয়ে লিখি না।

টুকটাক যাই লিখি সেটা বাস্তবতা নিয়ে।যাতে আমার লেখা পড়ে কেউ একজন অন্তত ভাল কিছু শিখতে পারে।আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ কথা হল,এফবিতে আমার নিজের কোনো ছবি দেয়া নেই।তাহলে ও আমাকে কিভাবে খুঁজে বের করল।

প্রশ্নগুলোর উত্তর না পেয়েই ওর সাথে সম্পর্ক হয়ে গেল।কারন ওর মতো এত চঞ্চল আর ভাল একটা মেয়ের মায়া থেকে নিজেকে ছাড়ানোর ক্ষমতা আমার নেই।কারণ আমি একটা ছেলে,খুবই সাধারণ একটা ছেলে।

বর্ষা থাকতো ভার্সিটির হোস্টেলে।ও খুবই দুষ্টু আর মিশুক প্রকৃতির একটা মেয়ে।পুরো হোস্টেলটাকে ও একাই মাতিয়ে রাখে।অনেক বেশি পাগলামি করে।এজন্য অন্যরাও ওকে খুব পছন্দ করে। romantic valobasar golpo

একদিন ভার্সিটি শেষে ও আমাকে নিয়ে গেল ডিসি লেকে।সেখানে গিয়ে আমরা অনেকটা সময় কাটালাম।ও সত্যি প্রচুর কথা বলে আর আমি চুপচাপ ধরনের একটা ছেলে।ভালো একজন শ্রোতা হয়ে শুধু ওর কথা শুনি।

_আমার সত্যি বিশ্বাস হয়না তোমার মতো এত সুন্দরী একটা মেয়ে আমাকে প্রপোজ করেছে এমনকি এখন আমার পাশে বসে আছে।

_কেন,আমি কি কোনো ছেলেকে ভালবাসতে পারিনা।আমার ভেতর কি আবেগ ভালবাসা এসব নেই নাকি?

_আছে,সবই আছে।তবুও কেন যেন আমার বিশ্বাস হয় না।

romantic valobasar golpo

_তো কিভাবে বিশ্বাস হবে।কিস করবে আমাকে,জড়িয়ে ধরবে।আচ্ছা ধরো,কিস করো।তবুও যদি তোমার বিশ্বাস হয়।

_আরে ধুর কি বলো এসব।আমি কি এরকম কিছু বলছি নাকি।

_আচ্ছা এখন আমাকে আইসক্রিম এনে দাও।

একদিন ক্যাম্পাসে গিয়ে বর্ষাকে কোথাও খুঁজে পাই না।ফোন দিচ্ছি ফোনও ধরছে না।সব জায়গায় খুঁজে অবশেষে গেলাম ক্যান্টিনে।

গিয়ে যা দেখলাম তার জন্য আমি প্রস্তুত ছিলাম না।দেখলাম,পলাশ মানে আমারই একজন বন্ধুর সাথে বর্ষা বসে আছে।ওদের দেখেই বোঝা যাচ্ছে ওরা দুজন অনেক বেশি পরিচিত।

হেসে হেসে কথা বলা,বর্ষার মাথায় থাপ্পড় দেয়া আবার পলাশের বুকে পিঠে কিল ঘুসি দেয়া।

আমি দেখার পর অন্যরকম কিছু ভাবতে গিয়েও নিজের মনকে থামিয়ে রাখি।রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প

উল্টাপাল্টা কিছু ভাবতে দেই না।আমি এই কাজটা খুব ভাল পারি।নিজের মনকে বুঝিয়ে নিজের আয়ত্বে রাখা।

অনেকক্ষণ এভাবে চলার পর বর্ষা বের হয়ে যেতেই আমি গিয়ে পলাশকে ধরলাম।বললাম..

_তুই বন্ধু হয়ে আমার সাথে এরকম করতে পারলি।

_বুঝলাম না,কি বলছিস তুই।

_না বোঝার তো কিছু নেই।এতক্ষন তুই কার সাথে ছিলি?

_কে বর্ষা,আরে ও তো আমার বোন।আপন ছোট বোন।

_মানে,কি বলছিস তুই।এর আগে তো আমাকে কিছু বলিসনি।

_বলিনি কারণ বর্ষা বলতে না করেছিল।কিন্তু আজকে বলেই দেই।

_হ্যা,বল।সব কিছু বল।

_তোর কি মনে আছে প্রায় ৩ মাস আগে জুয়েলের বোনের বিয়েতে গিয়েছিলাম।

কিন্তু মেয়েটা ভালবাসত অন্য একটা ছেলেকে।শুধু বাবা মায়ের সম্মানের কথা ভেবে বিয়েতে রাজি হয়েছিল।

এসব জানার পর তুই জুয়েলের মা,বাবাকে বুঝিয়ে জুয়েলের বোনের বিয়ে সেদিনই ওর ভালবাসার মানুষের সাথে দিয়েছিলি।

রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প 

_হ্যা,মনে আছে।মনে থাকবে না কেন।

_সেদিন আমি আমার বোন মানে বর্ষাকে সাথে নিয়ে গিয়েছিলাম বিয়ে বাড়িতে।

আর তোর সেদিনের সেই ব্যবহার এবং সব কিছু ম্যানেজ করার কৌশল দেখে তোকে ওর খুব পছন্দ হয়।ও তোকে ভালবাসতে শুরু করে।

_তো তুই ভাই হয়েও কিছু বলিস নি কেন ওকে?

_আমি কি বলব।আর আমিই তো ওকে তোর ব্যাপারে সব তথ্য দিয়েছি।কারণ আমি তো জানি তুই কতটা ভাল মনের একজন মানুষ। romantic valobasar golpo

আমি তোর এত কাছের একজন বন্ধু তবু হয়েও তোর লেখা খুব একটা পড়ি না।

কিন্তু আমার কাছ থেকে তোর ব্যাপারে জানার পর থেকেই প্রতিটা দিন ও তোর আইডিতে যে কতবার উঁকি দেয় তার কোনো হিসেব নেই।তোর প্রতিটা লেখাই ও বার বার পড়ে।

_ওহ এই কথা।দুই ভাইবোন মিলে এত কিছু করেছ।আচ্ছা কাল তাহলে আমার পালা।দেখ কালকে আমি কি করি!

পরের দিন ভার্সিটিতে গিয়েই বর্ষাকে খুঁজে বের করে পুরো ক্যাম্পাসের সামনে গোলাপ দিয়ে ওকে প্রপোজ করি।

_বর্ষা,আমি পলাশের কাছ থেকে সব জেনেছি।সব জানার পর তোমাকে শুধু একটা কথাই বলতে চাই।সেটা হলো,আমি তোমাকে অনেক বেশি ভালবাসি।

বাকি জীবনের প্রতিটা দিন আমি তোমাকে এভাবেই গোলাপ ফুল দিয়ে প্রপোজ করতে চাই।তুমি কি সেই সুযোগটা আমাকে দেবে?

_হ্যা,অবশ্যই।কিন্তু প্লাস্টিকের ফুল দিলেই হবে।কারণ প্লাস্টিকের ফুল কখনো নষ্ট হয় না।ঠিক যেমন আমাদের ভালবাসা কখনো নষ্ট হবে না।

.

এরপর দুজন হাত ধরে হাঁটতে থাকি সবুজ ঘাসের উপর। রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প 

এটা বিদেশি কোনো গল্প হলে হয়তো দুজন কিস করতাম বা জড়িয়ে ধরতাম একজন আরেকজনকে।

কিন্তু এটা আমাদের দেশের গল্প হওয়াতে বিদেশি গল্পের সেই স্বাদটা আর দিতে পারছি না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights