ঝগড়াটে মামাতো বোন যখন বউ ( romantic golpo ) পর্ব ১

Romantic golpo মামাতো বোন যখন বউ

আম্মুঃ কিরে কতোদুর পৌঁছালি…!!??

আমিঃ এই তো আম্মু পৌঁছে যাচ্ছি !মাত্র ব্যাস থেকে নামলাম । আর কিছুক্ষণের মধ্যে মামার বাসায় পৌঁছে যাবো । তুমি আমায় নিয়ে অযথা চিন্তা করো না ।

আম্মুঃ চিন্তা তোকে নিয়ে করছি না ।চিন্তা হচ্ছে তোর মামা -মামিদের নিয়ে ।

তুই যে শয়তান ছেলে !! দেখ আজকে ৬ বছর পর মামার বাসায় যাচ্ছিস !! খবরদার ওখানে একদম কোনো রকমের বাদরামী করবি না ।

আমিঃ তুমি এই কথা বলতে পারলে আম্মু..!! তোমার কথা শুনে মনে অনেক ব্যাথা পেলাম । তুমি আমার নিজের আম্মু হয়ে এই কথা বলতে পারলে…!!?? Romantic golpo

যদিও বা আমার মাঝে মাঝে তোমাকে দেখে মনে সন্দেহ জাগে,,,যে আমার মতো এমন একটা কিউট পোলা তোমার সন্তান হলাম কি করে…!!??

আম্মুঃ এই শয়তান ছেলে একদম ফালতু কথা বলবি না ।চুপচাপ ভাইয়ার বাসায় চলে যা । ( রাগি গলায় )

আমিঃ ধম্কাচ্ছো কেনো..!! সত্য কথা বললে সবাইকে ছ্যাকা লাগে । যেমন এখন তোমার লাগলো । ( মামাতো বোন যখন বউ )

আম্মুঃ আর একটা ফালতু কথা বললে ঠাটিয়ে তোর মুখ বন্ধ করে দেবো ।কেমন শয়তান ছেলে !! নিজের মাকে কেউ এমন কথা বলে ..?? ( ধমকের সুরে )

ঝগড়াটে মামাতো বোন

আমিঃ কেউ বলুক আর নাই বলুক আমি বলবো ।আমি হলাম সত্য বাদী । সারাজীবন সত্যের পথে চলে অাসছি,,।আর চলতে থাকবো । এতে আমার কোনো ভয় নেই। ( ভাব নিয়ে )

আম্মুঃ ওমা তাই !! এটা তো ঠিক ভূতের মুখে রাম নাম । যে ছেলে সারাক্ষণ মিথ্যা কথা বলে সবাইকে জ্বালিয়ে মারে সে কিনা সত্য বাদী । কথাটা ঠিক আমি তোর মা হয়েও হজম করতে পারলাম না । Romantic golpo

আমিঃ দেখো ” আম্মু একদম ফালতু কথা বলবে না ।নিজের ছেলের নামে মিথ্যা কথা বলতে তোমার বুকে বাদ্ধছে না । ধুর ফোন রাখো তো তোমার সাথে কথা বলার মুডটাই নষ্ট করে দিলে ।

আম্মুঃ আরে শোন……….??—দিলাম ফোন কেটে । আরেকটু হলেই আম্মু আমার মানসন্মান সব আপনাদের সামনে পানি করে দিতো ।

কেমনটা লাগে বলুন !! নিজের সন্তানের ব্যাপারে এমন কথা কি কেউ বলতে পারে । ইশ ” আমার কপাঁলটাই খারাপ । ওহ্ আপনাদের তো এখনও আমার পরিচয়টাই দিলাম না ।

আমি হলাম গ্যা “রাশেদ” । রাশেদ আহাম্মেদ কাব্ব্য। সবাই আমাকে রাশেদ বলেই ডাকে ।এবার ইন্টার ২য় বর্ষের ছাত্র আমি । আব্বু -আম্মুর একটিমাত্র বাদরের থুক্কু আদরের সন্তান । থাকি টাংগাইল ।

মামাতো বোন যখন বউ

এখন যাচ্ছি ঢাকায় আমার মামার বাসায় । সেখানে থেকেই আমার স্টাডি শেষ করবো । কাল রাতে রওনা দিয়েছিলাম ।আর আজকে এই মাত্র ব্যাস থেকে নামলাম ।

যদিও বা আব্বু বার বার বাসার গাড়িতে করে যেতে বলছিলো ।কিন্তু আমি শুনি নি । আমার দুরের জায়গায় কারের চেয়ে ব্যাসে জার্নি করতে বেশি ভালো লাগে ।

আপনাদের সাথে কথা বলতে বলতে অনেকখানি রাস্তা চলে এলাম । এখন সমস্যা হলো মামার বাসা তো চিনি না ।আজ থেকে প্রায় ৬ বছর আগে এখানে এসেছিলাম।

তাও আবার ছোট থাকতে আম্মুর সাথে । তারপর আর আসা হয়নি । এখন মামার বাসা কোনটা চিনবো কি করে ..!!

যদিও বা মামার সাথে ফোনে কথা বলে সব কিছু ভালো ভাবে বুঝিয়ে নিয়েছি । কিন্তু তারপরেও পারছি না ।- –

আমিঃ হ্যাঁ ” হ্যালো মামা..!!-

মামাঃ হুম বল ” কতোদুর এলি…!!?? –

আমিঃ এসে তো গেছি কিন্তু তোমার বাসা খুজে পাচ্ছি না । কোন জঙ্গলে বাসা তৌরি করেছো তোমরা । সেই তখন থেকে খুজে বেড়াচ্ছি ।

Romantic golpo

– -মামাঃ বলিস কিরে..!!?? আচ্ছা তুই এখন কথায় আছিস ??-আমিঃ কুথায় আবার এই তো গাজিপুর চৌরাস্তার মোড়ে ।-

মামাঃ আরে তুই ওখানে কি করছিস…!! ওখানে তো আমাদের বাসা না । শোন আর দাড়িয়ে না থেকে ওখান থেকে,, আগে রিক্সা অযবা সিএন.জি যে কোনো একটাতে চড়ে বোটবাজারে চলে আয় ।

ওখানে এসে যে কাউকে আমার নাম জিজ্ঞাসা করলেই সবাই আমার বাসার পরিচয় দেখিয়ে দেবে । তারপর সোজা বাসায় চলে আসবি ।-

আমিঃ ওকে ঠিক আছে । তুমি মামিকে খাবার রেডি করতে বলো আমি আসছি ।-

মামাঃ আগে আয় তারপর বলিস ।-

আমিঃ হুম …..।আর এখানে দাড়িয়ে রইলাম না । আগে একটা রিক্সা ভাড়া করে তারপর সোজা বোটবাজারের মোড়ে চলে এলাম । মামাতো বোন যখন বউ

রিক্সা ওয়ালাকে ভাড়া মিটিয়ে দিয়ে। তারপর ঘাড়ে ব্যাগ নিয়ে মামার বাসা খুজতে লাগলাম ।রাস্তার এপাশ ওপাশ দেখে দেখে হাটছি।

হঠাৎ লক্ষ্য করলাম,,,রাস্তার এক পাশে একটা কুকুর আরাম করে ঘুমিয়ে আছে । বেচারাকে এভাবে ঘুমিয়ে থাকতে দেখে আমার মনে খুব মায়া হলো ।

আমি আবার এদের খুব ভয় পাই । তাই আর কিছু না ভেবে চুপচাপ ব্যাগ ঘাড়ে নিয়ে কুকুরটার পাশ দিয়ে চলে যেতে লাগলাম । সব কিছু ঠিক ঠাকই চলছিলো।

Romantic golpo

কিন্তু ওইযে বলে না কপাল খারাপ থাকলে যা হয় । চলেই আসছিলাম কিন্তু পরে কি যেনো ভেবে আবার কুকুরটার কাছে গেলাম ।

তারপর রাস্তায় পরে থাকা একটা ছোট্ট পাথরের টুকরো নিয়ে দিলাম এক ঢীল । ব্যস তাতেই সব হয়ে গেল ।সালার কুকুর সাথে সাথে ঘুম থেকে জেগে গেল ।

তারপর ভাউ “ভাউ করতে করতে অামার দিকে দৌড় । এদিকে আমিও আর দাড়িয়ে না থেকে দিলাম এক দৌড় ।

তবে বেশিক্ষণ দৌড়াতে পারলাম না । ব্যাটা আমার কাছেই চলে এসেছিলো। জানের ভয়ে আগে পিছে না ভেবে,,, সামনে কাউকে আসতে দেখে সাথে সাথে তাকে জড়িয়ে ধরে তার কোলে চড়ে বসলাম ।

দেখলামও না ওটা মেয়ে নাকী ছেলে ।এদিকে কুকুর বাবাজীর আমার এমন অবস্থা দেখে মনে হয় তার মনে আমার জন্য কিছুটা দয়া জন্মেছে । মামাতো বোন যখন বউ

বেচারা আর সেখানে দাড়িয়ে না থেকে চুপচাপ চলে গেল । আমিও সাথে সাথে হাফ ছেড়ে বাচঁলাম । যাক বাবা কোনো মতে বাচাঁ গেল ।

তখন যদি না দেখে তাকে জড়িয়ে ধরতাম তাহলে আজকে আমায় হাসপাতালে যেতে হতো । কিন্তু আমি জড়িয়ে ধরলাম টা কাকে..!??- –

জরিয়ে দরা মেয়েটিঃ এই ছেলে আপনি আমায় জড়িয়ে ধরেছেন কেনো !! ছাড়ুন বলছি । ( চিৎকার করে)

কথাটা শোনার সাথে সাথে যাকে দৌড়ে এসে জড়িয়ে ধরেছিলাম তাকে ছেড়ে দিলাম । তাকে ছেড়ে দিয়ে দেখতে লাগলাম।।

যে আসলে আমি জড়িয়ে ধরেছিলাম টা কাকে..!! কিন্তু একি এ আমি কাকে দেখছি !! এ তো নীল পরী । তার মানে একেই তখন না দেখে কুকুরের ভয়ে জড়িয়ে ধরেছি !!

সেই তো বলি যাকে জড়িয়ে ধরেছি তার শরীরটা এতো নরম কেনো !!? মেয়েটা দেখতে তো একদম সেই লেভেলের ঝাক্কাস সুন্দরী ।

Romantic golpo

হিজাব পড়ে আরো বেশি সুন্দর লাগছে তাকে । কিন্তু মেয়েটার দিকে তাকিয়ে দেখলাম আমার উপর পুরো রেগে আছে ।- –

আমিঃ জ্বী আপু আমাকে বলছেন !! ( পুরোই নাদান বাচ্চা দের মত বললাম )-

মেয়েটিঃ আপনি ছাড়া এখানে আশে পাশে আর কেউ কি আছে !! কাউকে কি দেখতে পাচ্ছেন ?? ( আরো রাগি গলায় )

আমিঃ জ্বী আছে । কিন্তু তারা হয়তো আপনার সাথে কথা বলবে না । আপনার কথার যে ঝাঝ্ । ভয়ে কেউ আশে পাশেও আসবে না ।

মেয়েটিঃ ফাজলামী করছেন আমার সাথে !! একে তো অন্যায় করেছেন তার উপর আবার বড় বড় লেকচার ঝাড়ছেন !!-

আমিঃ অন্যায় !! আমি আবার কখন কি অন্যায় করলাম !! আমার মতো নাদান বাচ্চা কি কখনও কোনো অন্যায় কাজ করতে পারে ?

মেয়েটিঃ মশকরা করেন আমার সাথে !! আপনি আমায় না বলে জড়িয়ে ধরেছিলেন কেনো !! তারউপর আবার জরিয়ে ধরে সোজা কোলে উঠে গেছেন । আর একটু হলে তো আমি পড়েই যেতাম । –

মামাতো বোন যখন বউ

আমিঃ ওহ্ স্যরি ” আপনাকে না বলে জড়িয়ে ধরার কারণে ।।।আসলে তখন আমার পিছনে কয়েকটা সুন্দরী মেয়ে তাড়া করছিলো । মামাতো বোন যখন বউ

তাদের অনেক ভাবে বোঝালাম কিন্তু তারা কিছুতেই বুঝতে চাইছিলো না । তাদের নাকী আমায় চাই চাই । শেষে কোনো উপায় না পেয়ে দৌড়ে পালিয়ে আসছিলাম ।

কিন্তু একসময় যখন আর পারলাম না তখন আগে পিছে না ভেবে তাদের হাত থেকে বাচাঁর জন্য আপনাকে জড়িয়ে ধরেছিলাম ।

মেয়েটিঃ তাই বলে আমার কোলে চেপে যাবেন !! আর একটু হলে তো আমি সব রাস্তার পাশে পড়ে যেতাম । আর হ্যাঁ আপনি কলে ওঠার জন্য আর কাউকে দেখতে পেলেন না !!

আমাকে এসেই জড়িয়ে ধরতে হবে । যতোসব ফালতু ছেলে । আমি আপনাদের মতো ছেলেদের অনেক ভালো ভাবে জানি । সারাক্ষণ শুধু মেয়েদের পিছন পিছন কুকুরের মতো লেগে থাকেন ।

আমিঃ ওহে ” বালিকা মুখ সামলে কথা বলো !! আমরা ছেলেরা মোটেও এমন না ।।।নিজের দোষ বিনা কারণে অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে দিচ্ছো ?? মামাতো বোন যখন বউ

তুমি কোন মহা সুন্দরী হে,,,, ,যে তোমায় জড়িয়ে ধরতে যাবো !!আমার কি দেশে মেয়ের অভাব পড়ছে নাকী !!- –

মেয়েটিঃ কিহ্ এতো বড় কথা ?? ( রাগে ফুসছে )- আমিঃ তা নয় তো কি !!

আমি তো জড়িয়ে ধরার আগে ভেবেছিলাম, যে সামনে যেটা আছে ওটা মনে হয়ে রাস্তার পাশে দাড়িয়ে থাকা একটা খাম্বা । যদি জানতাম যে আপনার মতো একটা আটা ময়দা মাখা পেত্নী আসছে।তাহলো কোনো দিনো জড়িয়ে ধরতাম না ।

আমার কথাশুনে তো বালিকা বিনা তেলে পুরো ৪২০ ভোল্টে জ্বলে উঠলো ।-

মেয়েটিঃ আর একটা ফালতু কথা বললে থাপ্পড় দিয়ে তোর মুখ বাকা করে দেবো ।।।শয়তান ছেলে কথাকার !! একে তো আমায় বিনা অনুমতিতে জড়িয়ে ধরেছিস ।।।।

Romantic golpo মামাতো বোন যখন বউ

তারউপর আমায় পেত্নীও বলছিস !!আর একটা ফালতু কথা বলতে পুরো রাস্তার মাঝে তোকে জুতো পেটা করবো ।।। (রেগে আগুন )- –

আমিঃ আমি মনে হয় তখন আপনার হাতে মার খাওয়ার জন্য হাতে হাত রেখে বসে থাকবো । থাপ্পড় আমিও দিতে জানি । আমার সাথে অন্যায় করতে আসবেন তো আমিও আপনার সাথে অন্যায় করবো ।

আমার আম্মু আমাকে কখনও অন্যায় সহ্য করতে সেখায় নি । সো ” এই ভুল ভুলেও চেষ্টা করবেন না ।- –

মেয়েটিঃ ফালতু ছেলে কথাকার। তোর সাথে কথা বলার ভুল । যা ভাগ এখান থেকে । বিকেল বেলার মুডটাই নষ্ট হয়ে গেল ।- –

আমিঃ এই কথাটা আমার বলা উচিৎ। যতোসব ফাজিল মেয়ে । আপনার জন্য আমি আমার মামার বাসার ঠিকানাটাও ভুলে গেলাম ।

কোন খারাপ কপাল নিয়ে যে আপনার সাথে দেখা হলো । নাহ্ এখানে আর থাকা যাবে না । চলি ।চুপচাপ সেখান থেকে চলে আসছিলাম। আবার কি যেনো ভেবে তার কাছে চলে এলাম ।-

মামাতো বোন যখন বউ

আমিঃ আচ্ছা আপু এখানে রফিক সাহেবের বাসা কোনটা…??-

মেয়েটিঃ কেনো তুই রফিক সাহেবের বাসার ঠিকানা যেনে কি করবি !! (খানিকটা ভ্রু কুচকে ) মামাতো বোন যখন বউ

আমিঃ দরকার আছে । জানলে একটু বলুন না প্লিজ ।

মেয়েটিঃ আগে বল রফিক সাহেবের বাসার ঠিকানা জেনে তুই কি করবি !!কে হয় উনি তোর ??

আমিঃ উনি আমার মাম…না মানে উনি আমার শশুর হন ।উনার মেয়ের সাথে আমার কিছুদিন আগে বিয়ে হয়েছে ।

আমার কথা শুনে বালিকা যেনো আকাশ থেকে আছাড় খেয়ে মাটিতে পড়লো ।।।এমন ভাবে আমার দিকে তাকিয়ে রইলো দেখে মনে হচ্ছে আমি যেনো তাকে বিয়ে করার কথা বলেছি ।

মেয়েটিঃ কিহ্ কি বললি তুই..!! রফিক সাহেব তোর কে হয় ..!!-

আমিঃ কে আবার আমার মামা শশুর ।উনার মেয়ের জামাই আমি । যদি ঠিকানাটা একটু বলতেন তাহলে আমি নাদান বাচ্চাটার অনেক উপকার হতো ।-

মেয়েটিঃ তোর শশুর তাই না !! তুই কি ওনার মেয়েকে চিনিস ..??-আমিঃ না চেনার কি আছে !! আমার বৌ আমি চিনবো না ।আযব ।

মেয়েটিঃ ওহ্ তাই না !! তা শুনি ওই মেয়ের নাম কি আর দেখতে কেমন !!

আমিঃ কি আর বলবো দুঃখের কথা আমি ছেলেটা কতো কিউট ।আপনাদের মতো হাজার মেয়ের ক্রাশ আমি । কিন্তু কপাল খারাপ থাকলে যা হয় আর কি।-

Romantic golpo

মেয়েটিঃ মানে !!!-

আমিঃ কি আর বলবো !!যাকে বিয়ে করেছি তাকে দেখতে একদম মোটা অালুর মতো । চেহারা ছবি আর নাই বললাম !! সারাদিন আটা ময়দা নিয়েই পড়ে থাকে ।

চেহারা ছবি একদম পেত্নির মতো । আমি ভালো ছেলে বলেই তাকে বিয়ে করেছি ।আমার কথা শুনে তো দেখি বালিকা শুধু রাগে ফুসছে । কিন্তু কেনো !!- -।

মেয়েটিঃ চুপকর ফালতু ছেলে !! তোর মতো শয়তান খারাপ ছেলে আমি জীবনেও আর একটাও দেখিনি । তুই আমায় অহনাকে চেনাস !! (রেগে আগুন )

আরে আপনি রেগে যাচ্ছেন কেনো ?? আমি তো শুধু আমার বৌয়ের সমন্ধেই বলছিলাম ।।।।।আপনি এভাবে ওভার রিয়েক্ট করছেন কেনো !?? এমন ভাবে চিৎকার করছেন যেনো কথা গুলো আপনার সমন্ধে বলছি ।- –

মেয়েটিঃ চুপ কর ফালতু ছেলে ।থাপ্পড়িয়ে তোর মুখ বাকা করে দিবো । ফাজিল ছেলে কথাকার ।মনে তো করছে …!! (রাগে ফুসছে শুধু )-

আমিঃ কি শুনি ?? আদর করতে ইচ্ছে করছে তাই তো !! সমস্যা নেই এই যে গাল এগিয়ে দিলাম চাইলে কিস করতে পারেন । আমি কিছু মনে করবো না । (গালটা এগিয়ে দিয়ে )

মেয়েটিঃ ঠাসস”….। এটা দিতে ইচ্ছে করছিলো । ( গালে বসিয়ে দিয়েছে )-

আমিঃ ঠাসস” ঠাসস” …..। আমার আম্মু বলছে কেউ কিছু উপহার দিলে উল্টো তাকেও কিছু উপহার দিতে হয় ।-

মেয়েটিঃ তোকে আমি …?? (গলা টিপে ধরে )-

আমিঃ আরে ” আরে করছেন টাকী ?? আপনি বাচ্চাটাকে জানে মেরে ফেলবেন নাকী ??( কোনো মতে নিজেকে ছাড়িয়ে )মেয়েটা কিছু না বলে শুধু আমার দিকে রাগে ডাইনীদের মতো রাগে ফুসছে ।-

আমিঃ আজব ব্যাপার আপনি আমার দিকে এভাবে তাকিয়ে রয়েছেন কেনো ??

আমিঃ( তাও আগের মতো তাকিয়ে আছে )…আপনাকে দেখে আমার আজ একটা কথা সত্যি বিশ্বাস হয়ে গেল ।- –

মেয়েটিঃ কিহ্ শুনি …?? ( অগ্নি চোখে )

আমিঃ এই যে পৃথিবীতে পেত্নী বলে সত্যি কিছু আছে । যদিও বা আমি আগে কথাটা বিশ্বাস করতাম না।কিন্তু এখন আপনাকে দেখে আমার বিশ্বাস হয়ে গেছে !! পেত্নী সত্যি পৃথিবীতে আছে । আর তাকে দেখতে একদম আপনার মতো হবে ।

মামাতো বোন যখন বউ

ব্যাস এটারি বাকি ছিলো । বালিকা পুরো ডায়নামাইড বোম হয়ে গেল । রাগে পুরো মুখ চোখ রক্ত বরণ ঝারণ করে আছে । যে কোনো সময় এটা আমার উপর ফেটে যেতে পারে । ব্যাপারটা আমার ভালো ঠিকলো না ।

মেয়েটা আমাকে কিছু বলার আগেই সেখান থেকে ফুর হয়ে গেলাম ।যাহ্ বাবা ডাইনীটার হাত থেকে এবারের মতো জানে বেচেঁ ফিরলাম । ঐখানে আর কিছুক্ষণ থাকলে আমার কপালে শনি চলে আসতো । Romantic golpo

কি রাগটাই না রাগিয়ে দিয়েছিলাম মেয়েটাকে । তবে মেয়েটা দেখতে কিন্তু সেই ছিলো । এতো সুন্দর একটা মেয়েকে পেত্নী বললে সে এমনিতেই রেগে আগুন হয়ে যাবে ।।। তার উপর আমি আবার ঠাসস” ঠাসস” করে দুটো বসিয়ে দিয়ে এসেছি ।।।

অনেক কষ্ট মামার বাসাটা খুজে পেলাম । যাক প্রানে প্রাণ ফিরে এল । মামাকে দিলাম একটা ফোন..–

আমিঃ এই মামা কই তুমি !! আমি তোমার বাসার নিচে ।

মামাঃ তুই ওখানে এক মিনিট দাড়া আমি এখুনি আসছি ।

আমিঃ হুম তাড়াতারি আসো ।

মামাঃ দাড়া তুই ।আমিঃ গেটের কাছে দাড়িয়ে রইলাম ।

মামাঃ কি রে বাসায় না গিয়ে এখানে এভাবে দাড়িয়ে আছিস কেনো !!আমিঃ এখন আসার সময় হলো তোমার !! সেই কখন থেকে এভাবে দাড়িয়ে আছি ।

নিজের বোনের ছেলের প্রতি এতোটুকুও মায়া নেই তোমার ।

মামাঃ বলিস কি রে !!! তোর ফোন করার তো এখনও এক মিনিটও ঠিক মতো হয় নি ? তাতেই এতো দেরী হয়ে গেল ।

আমিঃ হইসে এতো কথা বলতে হবে না । ভিতরে চলো । প্রচুর খিদে লাগছে আমার ।

Romantic golpo

মামাঃ হুম চল ।মামার সাথে ভিতরে চলে এলাম । বাসার ভিতরে এসে দেখি মামি রান্না ঘরে রান্না করছে ।।।।আমি কোনো আওয়াজ না করে চুপচাপ রান্না ঘরে পিছন থেকে মামির চোখ গুলো হাত দিয়ে চেপে ধরলাম ।-

মামিঃ আরে ” আরে করছেটা কি ?? ছাড় আমায়

আমিঃ কে হতে পারে বলতো !!-

মামিঃ কে আবার আমার দুষ্টু আব্বুটা । ( চোখ গুলো ছাড়িয়ে নিয়ে )-

আমিঃ কিভাবে জানলে আমি হবো ??- মামিঃ কারণ আমি আমার এই পাজি ছেলেটার আওয়াজ অনেক ভালো ভাবে বুঝতে পারি । তাছাড়া এই কাজ এক মাত্র তুই ছাড়া কেউ করে না ।-

আমিঃ হুম ।-

মামিঃ আসলে এতো দেরী হলো কেনো ?? আর তোকে এখানে আসতে কে বলছে !!! এখানে কে আছে তোর ? (অভিমান করে )-

আমিঃ কে আবার !! আমার এই সুইট কিউট মামিটা আছে না । ( মামিকে জড়িয়ে ধরে )- মামাতো বোন যখন বউ

মামিঃ এতোদিন পর আমাদের কথা মনে পড়লো ?? সেই কবে এসেছিলি আর আজকে এলি । আমার বুঝি তোকে দেখতে ইচ্ছে করে না ।- Romantic golpo

আমিঃ কি করবো বলো !! তুমি তো আব্বু আম্মু চিনই । আমায় নিজের এলাকা ছাড়া বাইরে কথাও যেতেই দেয় না ।।।।এবারি কতো কষ্টে এখানে এলাম ।-

মামিঃ খুব ভালো করেছিস । এখন যা গিয়ে ফ্রেশ হয়ে নে । আমি টিবিলে খাবার বেড়ে দিচ্ছি ।-

আমিঃ হুম জলদি করো । প্রচুর খিদে পেয়েছে আমার ।- মামিঃ আমি জানি । তাই তো তোর সব পছন্দের খাবার গুলো রান্না করেছি ।-

আমিঃ আমি এখুনি ফ্রেশ হয়ে আসছি ।চলে যাচ্ছিলাম !! তারপর আবার ফিরে এলাম ।

আমিঃ ওযাশরুম কোনটাতে ??মামিঃ ঐটা অহনা রুম । ওখানে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে নে । –

আমিঃ অহনা মানে !! কার কথা বলছো তুমি ?-

মামিঃ কার আবার !! আমার মেয়ের । তোর মনে নেই ছোট বেলায় যার সাথে তুই সারাক্ষণ খেলা ধুলো করতি ।

আমিঃ ছোট বেলায় কি করেছি না করেছি তা কি এখন মনে থাকে নাকী ?? তা তোমার মেয়ে কই !!?

মামাতো বোন যখন বউ

মামিঃ ছিলো “ঘন্টা খানেক আগে বাইরে বের হয়ে গেছে । চলে আসবে কিছুক্ষণ পর ।

আমিঃ অহহ আচ্ছাআর কিছু না বলে রুমে চলে এলাম । বাহ্ রুমটা তো অনেক গুছানো ॥ দেখেই বুঝা যাচ্ছে মেয়েটা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে ভালোই পছন্দ করে । যাক এখন থেকে এই রুমেই আরাম করে থাকা যাবে ।

আমিঃ মামি কি হলো খেতে দেও !?? বললাম না প্রচুর খিদে পেযেছে ।

মামিঃ আরে আগে খাবার টেবিলে বসবি তো নাকী !! তারপর নাহয় খাবার বেড়ে দিবো । –

আমিঃ আচ্ছা আসতেছি দাও তাড়াতাড়ি ।

মামিঃ আচ্ছা আয়।খাবারের আইটেম দেখে আর তোর সইছিলো না । সাথে সাথে কাজে লেগে পড়লাম ।- Romantic golpo

আমিঃ মামি তোমার রান্নাটা কিন্তু সত্যিই অন্যরকম । কতোদিন পর তোমার হাতের এমন রান্না খাচ্ছি । ( খেতে খেতে )-

মামিঃ নে এখন থেকে প্রতিদিন তোকে এমন ভাবে রান্না করে খাওয়াবো ।-

আমিঃ সত্যি !!-

মামিঃ হুম…। এখন চুপচাপ খাওয়া শেষ কর । খাবার খেতে খেতে কথা বলতে হয় না ।-

আমিঃ হুম…।মনের সুখে নিজের পছন্দের রান্না করা খাবার খাচ্ছি । এরি মাঝে হঠাৎ করে বাসার কলিংবেল বেজে উঠলো ।মনে হয় তিথি এসে গেছে । Romantic golpo

মামিঃ তুই বসে আরাম করে খাওয়া শেষ কর । আমি দরজাটা খুলে দিয়ে আসি ।

আমিঃ আচ্ছা ঠিক আছে।মামি চলে গেল দরজা খোলার জন্য ।

মামিঃ কি ব্যাপার সেই কখন গেছিস !! আসতে এতো দেরী হলো কেনো ? মামাতো বোন যখন বউ

অহনাঃ আর বলো না রাস্তায় যাওয়ার সময় একটা শয়তান কুত্তার সাথে দেখা হয়ে গেছিলো । ( অহনা রাগি গলায় )-

মামিঃ বলিস কি !! তোকে কথাও কামড়-টামড় দেয় নি তো ? ( খানিকটা ভয় পেয়ে )

অহনাঃ আরে নাহ্ কামড় কেনো দিতে যাবে !! তার আগেই ঠাঠিয়ে কুত্তাটাকে সোজা করে দিয়েছি । ( গালে হাত দিয়ে )

মামিঃ মানে …??

অহনাঃ কিছু না । তুমি আর এতো প্রশ্ন করো না তো ।

মামিঃ আচ্ছা ঠিক আছে । এখন যা গিয়ে ফ্রেশ হয়ে নে । খাবার বেড়ে দিচ্ছি খেয়ে নে ।

অহনাঃ আচ্ছা,,,।– Romantic golpo

ও হ্যাঁ তোকে তো বলতে বুলেই গেছিলাম বাসায় রাশেদ এসেছে । এখন থেকে তোর কলেজেই স্টাডি করবে ।

অহনাঃ রাশেদ মানে !! তোমার ঐ প্রিয় শয়তান ছেলেটা ?

মামিঃ শয়তান কেনো বলছিস !! ছেলেটা আমার কতো ভদ্র জানিস ?

অহনাঃ সেটা তো ফুফুর “কাছ থেকে অনেক ভালো করেই শুনেছি ।

মামিঃ ওসব কথা রাখ । যা গিয়ে ছেলেটার সাথে কথা বলে আয় ।

অহনাঃ হুম চলো…।

আমার খাওয়া দাওয়া শেষ তাই ফোনটা নিয়ে সোফার ওপর পাশে বসে ফোন চাপছি ।- –

অহনাঃ Hii…..আমি অহনা ? ( পিছন থেকে )

আমিঃ hello” …আমি রাশে……..( বলার আগেই পুরাই শক” খেয়ে গেলাম )..এ আমি কাকে দেখছি 🥶🥶এটা তো…….. __চলবে!……..

পর্ব,,১

অভিমানী ভালোবাসার গল্প

কালো বউ

1 thought on “ঝগড়াটে মামাতো বোন যখন বউ ( romantic golpo ) পর্ব ১”

Leave a Comment

Verified by MonsterInsights